১০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অভাবনীয় রেকর্ড

বাংলাদেশের অর্থনীতির দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই বন্দর জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে দেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে বিগত ১১ আগস্ট, ২০২৪ ইং, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনভিসি, এনসিসি, পিএসসি দায়িত্ব নেয়ার পরে চট্টগ্রাম বন্দরের গতিশীলতা আনায়ন, কর্মচারীদের মনোবল ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মচারীদের কল্যাণের নিমিত্তে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

বিগত ২ বছরে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রেকর্ড সংখ্যক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রদান করে কর্মচারীদের মনোবল বৃদ্ধি ও দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

জুলাই আন্দোলন-২০২৪ পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপের ফলে চট্টগ্রাম কদর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত মাত্র দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১,৪৬৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। এই সংখ্যা পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি এবং প্রশাসনিক গতিশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারি ২০২১ থেকে জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত মাত্র ১৪৪ জনকে সরাসরি নিয়োগ ও ৭৯৯ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। পক্ষান্তরে আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়েই ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১৪৬৪ জনকে জনের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

 

২০২১ সাল থেকে জুলাই ২০২৬ এর মধ্যে শুধুমাত্র জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী দুই বছরেই যথাক্রমে প্রায় ৫৯ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ এবং প্রায় ৬৫ শতাংশ পদোন্নতি সম্পন্ন হয়েছে, যা মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী অগ্রগতি ও নজির বলে প্রতীয়মান হয়।চট্টগ্রাম বন্দরে ২০২১ সাল হতে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির চিত্র।

১৯৩,১২০০,৮০০,৬০০,৪১১,৮০০,৩০১,২২৪,২০,২০০,৯৬,৯০,২৫০,২০০,১৫০,১২,১০০,৩৪,৫০,৬,২০২১ ২০২২ ২০২৩ ২০২৪ ২০২৫ ২০২৬
২০২১ ২০২২ ২০২৩ ২০০৪ ২০২৫ ২০২৬। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, দক্ষ, যোগ্য ও প্রেরণাদায়ী জননসই একটি আধুনিক বন্দরের মূল শক্তি। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং বন্দরের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা এসেছে।

 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারা অব্যাহত রেখে দেশের অর্থনেতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও কার্যকর অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

পতেঙ্গায় সমাজ সেবক চন্দন মহাজনের পরলোক গমন, বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের শোক

চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অভাবনীয় রেকর্ড

আপডেটে: ১২:৪১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতির দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই বন্দর জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে দেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে বিগত ১১ আগস্ট, ২০২৪ ইং, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনভিসি, এনসিসি, পিএসসি দায়িত্ব নেয়ার পরে চট্টগ্রাম বন্দরের গতিশীলতা আনায়ন, কর্মচারীদের মনোবল ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মচারীদের কল্যাণের নিমিত্তে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

বিগত ২ বছরে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রেকর্ড সংখ্যক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রদান করে কর্মচারীদের মনোবল বৃদ্ধি ও দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

জুলাই আন্দোলন-২০২৪ পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপের ফলে চট্টগ্রাম কদর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত মাত্র দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১,৪৬৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। এই সংখ্যা পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি এবং প্রশাসনিক গতিশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারি ২০২১ থেকে জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত মাত্র ১৪৪ জনকে সরাসরি নিয়োগ ও ৭৯৯ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। পক্ষান্তরে আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়েই ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১৪৬৪ জনকে জনের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

 

২০২১ সাল থেকে জুলাই ২০২৬ এর মধ্যে শুধুমাত্র জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী দুই বছরেই যথাক্রমে প্রায় ৫৯ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ এবং প্রায় ৬৫ শতাংশ পদোন্নতি সম্পন্ন হয়েছে, যা মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী অগ্রগতি ও নজির বলে প্রতীয়মান হয়।চট্টগ্রাম বন্দরে ২০২১ সাল হতে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির চিত্র।

১৯৩,১২০০,৮০০,৬০০,৪১১,৮০০,৩০১,২২৪,২০,২০০,৯৬,৯০,২৫০,২০০,১৫০,১২,১০০,৩৪,৫০,৬,২০২১ ২০২২ ২০২৩ ২০২৪ ২০২৫ ২০২৬
২০২১ ২০২২ ২০২৩ ২০০৪ ২০২৫ ২০২৬। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, দক্ষ, যোগ্য ও প্রেরণাদায়ী জননসই একটি আধুনিক বন্দরের মূল শক্তি। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং বন্দরের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা এসেছে।

 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারা অব্যাহত রেখে দেশের অর্থনেতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও কার্যকর অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।