গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জুনদহ এলাকায় গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে নয় টার দিকে সংঘটিত হামলার ঘটনায় পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মণ্ডল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মিল্লাত সরকার মিলন এবং পলাশবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামিম রেজা গুরুতর আহত হন।বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ হামলার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা জড়িত।আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সেখানে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক এবং তাঁর পুত্র ডা. আবির হাসান দীপ। তারা আহত নেতাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ নেন, স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এ ঘটনায় জেলা বিএনপির নেতারা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে হামলা, সন্ত্রাস ও রক্তপাত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।
এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় রাজনৈতিক সহিংসতা আরও উসকে যেতে পারে, যার দায় সংশ্লিষ্টদেরই বহন করতে হবে।রাজনীতির মাঠে যুক্তির পরিবর্তে রক্ত ঝরানো কখনোই সভ্য সমাজের ভাষা হতে পারে না।
হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সচেতন মহল।
আসাদুজ্জামান রুবেল গাইবান্ধা 









